27.8 C
Kolkata
Thursday, July 16, 2026
Home দেশ রথযাত্রায় জনপ্লাবন, পুরীতে ভিড়ের চাপে পুণ্যার্থীর মৃত্যু, অসুস্থ অনেকেই

রথযাত্রায় জনপ্লাবন, পুরীতে ভিড়ের চাপে পুণ্যার্থীর মৃত্যু, অসুস্থ অনেকেই

পুরীতে রথযাত্রায় জনপ্লাবন। সৌজন্য ছবি–পিটিআই।

ডিজিটাল ডেস্ক, ১৬ জুলাই: বৃহস্পতিবার ছিল রথযাত্রা। পুরী থেকে দিঘা, মাহেশ, মায়াপুর থেকে গঙ্গাসাগর– গোটা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এ দিন এই উৎসব পালিত হয়। ফি বছরের মতো এ বারেও পুরীতে রথের রশিতে টান দিতে অগণিত ভক্তের সমাগম হয়। ভিড়ের চাপে এক ভক্ত প্রাণ হারিয়েছেন। অসুস্থ হয়ে পড়েন অনেকেই। নেমে আসে বিষাদের ছায়া। পুরীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে হুগলির মাহেশে রথযাত্রায় জনপ্লাবন আছড়ে পড়ে। কলকাতায় ইসকনের রথযাত্রার সূচনা করেন পশ্চিম বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারি।

পুরীতে জগন্নাথের রথ নন্দীঘোষ, বলরামের রথ তালধ্বজ এবং সুভদ্রার রথ দর্পদলন। এই তিন রথে চড়ে পার্শ্বদেবতা, চারটি ঘোড়া এবং সারথিদের সঙ্গে নিয়ে তাঁরা পাড়ি দেন গুণ্ডিচা মন্দির অর্থাৎ মাসির বাড়িতে। দাদা বলরাম এবং বোন সুভদ্রার সঙ্গে সপ্তাহজুড়ে উৎসবে মাতেন পতিতপাবন। একই ভাবে কলকাতার ইসকনেও রথযাত্রার আয়োজন করা হয়। অ্যালবার্ট রোডে ইসকন মন্দিরের উল্টো দিকে হাঙ্গারফোর্ড স্ট্রিট থেকে মাসির বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন জগন্নাথ-বলভদ্র-সুভদ্রা। শেষ হয় ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে, অর্থাৎ মাসির বাড়িতে। উল্টো রথে ফের একই পথে ওই হাঙ্গারফোর্ড রোডে ইসকনের মন্দিরে ফিরিয়ে আনা হবে হিন্দু সম্প্রদায়ের তিন দেবতাকে। তাঁদের নিয়ে নদিয়ার মায়াপুরে রাজাপুর থেকে ইসকনের রথ চন্দ্রোদয় মন্দিরে আসে। গঙ্গাসাগরে ইসকনের রথযাত্রাকে ঘিরেও ভক্তের ভিড় উপচে পড়ে। প্রাচীন রীতি মেনেই মল্লগড় বিষ্ণুপুরে ৩৫০ বছরের বেশি প্রাচীন রথের রশিতে টান দেন অগণিত ভক্ত। রথে সওয়ার হন ঠাকুর রাধা মদন গোপাল জিউ। এ বারেও পুরীর আদলে সৈকতনগরী দিঘাও উৎসবে মেতে ওঠে। এ দিন রীতিমাফিক সোনার ঝাড়ু দিয়ে ঝাঁট গিয়ে অ্যালবার্ট রোডে ইসকনের রথযাত্রা সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর রথের রশিতে টান দিয়ে জগন্নাথদেবের আরতি করেন। শেষে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করতেও দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। ওড়িশা পুলিশের তরফে সমাজমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ভিড়ের চাপে অসুস্থ হয়ে পড়া ৩৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করানো হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here