ডিজিটাল ডেস্ক, ৯ মে: এক দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং প্রতীক্ষার পর বঙ্গ-বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হলেন শুভেন্দু অধিকারি। আজ, শনিবার ব্রিগেডের মাঠে রবীন্দ্র আবহে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল আর এন রবি। আজ রবীন্দ্রজয়ন্তী। এ দিন সকাল থেকেই ব্রিগেডে বাজে কবিগুরুর লেখা গান– হে নতুন…।
শুক্রবার কলকাতায় বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্য বিধানসভা দলের নেতা বলে শুভেন্দুর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। এর পর ২০৭ জন বিজয়ী বিধায়কদের সমর্থন নিয়ে শুভেন্দু লোকভবনে যান এবং রাজ্যপালের কাছে সরকার গঠনের আর্জি জানান। বৃহস্পতিবারই পশ্চিম বঙ্গের সপ্তদশ বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি জারি করে লোকভবন। শুভেন্দুর নাম ঘোষণার পর শাহ বলেন– গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত সর্বত্র বিজেপি-র সরকার গঠিত হল। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মভূমিতে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শের অনুসারী সরকার তৈরি হল। শাহের কথায়, নতুন সরকার ‘সোনার বাংলা’র স্বপ্ন পূরণে সর্বাত্মক চেষ্টা করবে।
ব্রিগেডের শনিবার মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ছাড়াও ছিলেন বিজেপিশাসিত বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। মঞ্চে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বঙ্গের নতুন সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারি। এ দিন মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, নিশীথ প্রামাণিক, ক্ষুদিরাম টুডু। তাঁরা কেন কোন দফতর সামলাবেন, এখনও ঘোষণা করা হয়নি। মঞ্চে মোদী-শাহ ছাড়াও ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান প্রমুখ। এনডিএ-র শরিক দলগুলির মধ্যে এলজেপি (আর)-র রামবিলাস পাসোয়ান, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা টিডিপি নেতা চন্দ্রবাবু নায়ডু এবং অন্যান্যরা।