24.2 C
Kolkata
Saturday, March 14, 2026
Home Lead News এ বারের ভোট সরকার বদলের নয়, বাংলার আত্মাকে বাঁচানোর: মোদী

এ বারের ভোট সরকার বদলের নয়, বাংলার আত্মাকে বাঁচানোর: মোদী

ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সৌজন্য ছবি– পিটিআই।

ডিজিটাল ডেস্ক, ১৪ মার্চ: কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে দলীয় সমাবেশে এসে আত্মবিশ্বাসী দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার ছিল ভোটমুখী বিজেপি-র পরিবর্তন যাত্রা নিয়ে ব্রিগেড সমাবেশ। এই সমাবেশ প্রধানমন্ত্রীকে আক্ষরিক অর্থেই উজ্জীবিত করে। যা তাঁর ভাষণেই প্রকাশ পায়। আসলে যে ভাবে এ দিন বিজেপি লোক টেনে মাঠ ভরাতে পেরেছে, তার প্রতিফলন যদি ভোটবাক্সে পড়ে, তা হলে বঙ্গে ফের রাজনৈতিক পালাবদল যে হতে চলেছে, তা ধরে-ই নিয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। তাই তিনি বলেন– এ বার পশ্চিম বঙ্গে সরকার বদল কেউ রুখতে পারবে না। বঙ্গবাসীর প্রতি তাঁর বার্তা– এ বারের ভোট সরকার বদলের নয়, বাংলার আত্মাকে বাঁচানোর। ব্যবস্থা বদলের নির্বাচন, কাটমানি থেকে, ভয় থেকে মুক্তির নির্বাচন।

ব্রিগেডে রাজনৈতিক সমাবেশে আসার আগে প্রধানমন্ত্রী এ দিন একটি সরকারি অনুষ্ঠানে ১৮,৭০০ কোটি টাকার বেশ কয়েকটি জাহাজ চলাচল ও বন্দর-সম্পর্কিত প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তখনও ব্রিগেড ময়দানে মোদীর সভা শুরু হয়নি। তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের দফায় দফায় অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে গিরিশ পার্ক। চলে দেদার ইটবৃষ্টি। মন্ত্রী শশীর পাঁজার বাড়িতে হামলার চালানো হয় বলে অভিযোগ। কার্যত স্তব্ধ হয়ে যায় সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ। শশী পাঁজার অভিযোগ, ‘‘আমাকে খুন করতে আসা হয়েছিল, এফআইআর করছি। আমি অবাক। গুন্ডা পুষেছে, খুনি পুষেছে বিজেপি। এতদিন দেখতাম গণতান্ত্রিক খুনি। আজ দেখলাম শারীরিকভাবে মারছে।’’ এই অভিযোগে উড়িয়ে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, ‘‘মন্ত্রীর বাড়ির সামনে হামলা হল, সেন্ট্রাল ফোর্সকে পাঠানো হল না কেন?’’ তাঁর পালটা দাবি– কোথায় ছিল পুলিশ? সেন্ট্রাল ফোর্স? যাঁরা যাচ্ছিলেন, তারা কি মন্ত্রীর বাড়ি চেনেন? আর বিজেপি যদি প্রথমে হামলা চালায় মন্ত্রী সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করুন।

আর তৃণমূল সরকারকে ‘নির্মম সরকার’ এবং ‘মহা জঙ্গলরাজ’-এর সঙ্গে তুলনা করে ব্রিগেড থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাই নতুন বাংলা গড়ার ডাক দিয়ে মোদী তৃণমূলের মা-মাটি-মানুষ স্লোগানকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘বাংলার মা নিঃস্ব, মাটি লুণ্ঠিত, মানুষ চলে যাচ্ছে! তিনি বলেন – কেউ কেউ ভয় দেখানোর চেষ্টা করবেন, কেউ কেউ বলবেন বদল সম্ভব নয়। কিন্তু মনে রাখুন মানুষ যখন ঠিক করে নেন, তখন ঠেকানোর কেউ থাকে না। বাংলার মানুষ যখনই ঠিক করে নেন, তখন ইতিহাস বদলে যায়। আজ ব্রিগেড দেখে সেই আত্মবিশ্বাস পাচ্ছি। আগত পরিবর্তনের জন্য সকলকে আগাম শুভেচ্ছা। পশ্চিম বঙ্গের জনগণের জয় হোক।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here